হোমিওপ্যাথিক বৃদ্ধি ও চিকিৎসকের করণীয়
(অর্গানন, অধ্যায়ঃ ২৮১)
ডাঃ কে এম আলাউদ্দীনীয়
সদৃস বিধান অনুযায়ী (২৪-৭০) চিকিৎসার নামই হোমিওপ্যাথি। আমরা যারা হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক সবাই এ কথা জানি যে, অর্গানন অধ্যায় ৮৩-১০৪ অনুসারে রোগীলিপি প্রণয়ন করে, রোগীর জন্য একটিমাত্র ঔষধ (অ,অ ২৭৩) নির্বাচন করতে হয়। ঔষধ অবশ্যই অ, অ ২৭০ অনুযায়ী প্রস্তুতকৃত হবে এবং অ,অ ২৪৭ এর নিয়ম মেনে প্রয়োগ করতে হবে (অ,অ ২৮০)। এভাবে সকল নিয়ম মেনে সুনির্বাচিত ঔষধ প্রয়োগে রোগীর স্বাভাবিক উন্নতি চলতে থাকলে, ঐ ঔষধ ক্রমোন্নত শক্তিতে (২৮০) চালিয়ে যেতে হবে, এ ক্ষেতে শেষের দিকে, জীবনীশক্তি প্রাকৃতিক রোগের কবলমুক্ত হবার জন্য কিছুটা ঔষধজঃ রোগ ভোগ করতে থাকে। এটাই হোমিওপ্যথিক বৃদ্ধি বা Homeopathic Aggravation ।
হানেমান, এ হোমিওপ্যাথিক বৃদ্ধির ব্যাপারে সুনিশ্চিত হবার জন্য, অত্র ২৮১ অধ্যায়ে বলেন যে, এ অবস্থায় রোগীকে ৮/১০/১৫ দিন কোন ঔষধ প্রয়োগ না করে কেবল দুগ্ধ-শর্করার মাত্রা /অনৌষধী প্রয়োগ করে পর্যবেক্ষণ করতে হবে। শেষের দিকে আগত উপসর্গ/বৃদ্ধিসমূহ মূলরোগের/ রোগীর ৩টি অবস্থা দেখা দিয়ে থাকে, সে অবস্থাগুলো বিশেষভাবে পর্যবেক্ষণ করা এবং তখন চিকিৎসকবৃন্দের করণীয় বিষয়ে এ অধ্যায়ে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। অনৌষধী প্রদানের সময়কালে পর্যবেক্ষণসমূহ ও চিকিৎসকবৃন্দের করণীয়
১। সদৃস লক্ষণের সামান্য বৃদ্ধি হলেঃ
২। পূর্ব রোগ লক্ষণসমূহ অত্মপ্রকশ করলেঃ
৩। রোগী সংবেদনশীল হলেঃ
১। সদৃস লক্ষণের সামান্য বৃদ্ধি হলেঃ
পর্যবেক্ষণÑউপসর্গসমূহ কয়েক দিন/ কয়েক ঘন্টার মধ্যে অপসারিত হবে।
করণীয়ঃ চিকিৎসক এ সময়ে রোগীকে স্বাস্থ্য বিধান মেনে চলার পরামর্শ দিবেন।
২। পূর্ব রোগ লক্ষণসমূহ অত্মপ্রকশ করলেঃ
পর্যবেক্ষণÑ এগুলো মূল রোগের ধ্বংসাবশেষ, রোগ সম্পূর্ণ আরোগ্য হয়নি। চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হবে।
করণীয়ঃ পূর্ব নির্দেশিত ( নতুন উচ্চ শক্তি দ্বারা) চিকিৎসা করতে হবে।
*প্রথমে ক্ষুদ্রমাত্রাসমূহ ক্রমাগতভাবে উচ্চতর শক্তিতে উন্নীত করে প্রয়োগ করতে হবে।
৩। রোগী সংবেদনশীল হলেঃ
পর্যবেক্ষণÑ রোগী বেশী উত্তেজনা/সংবেদন প্রবণ। (অর্গানন, অধ্যায়ঃ ১১৬-১১৯,১২০-১৪৫)
করণীয়ঃ অল্প পরিমান ঔষধ/ খুব বিলম্বে ঔষধ প্রয়োগ করতে হবে। উল্লেখ্য যে, সংবেদনশীলতা :
অসংবেদনশীলতার পরিমাণ সাধারণত= ১০০০ঃ ১
@@@@@@@@
ধন্যবাদ 'স্যার"
ReplyDelete